ঢাকা
০৫ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
শাকিবের অনুরোধে ফের সিনেমায় ফিরবেন ববিতা, চান পছন্দের গল্প শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: তথ্য উপদেষ্টা বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড বৈঠকে ভিসা সহজীকরণে জোর, ৭ দিনের মধ্যে প্রসেসিং কুমিল্লায় ৫ ফুট চওড়া ‘অভিনব’ বাড়ি দেখতে ভিড় দক্ষিণ কোরিয়ায় রেকর্ড দাবদাহে মৃত্যু ১৬ সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের অধিকার থাকবে, সংশোধনী আইনের খসড়ায় অনুমোদন পটুয়াখালীর শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের দিয়ে এইচএসসির খাতা দেখানোর অভিযোগ ফিফার তদন্তের মধ্যেই নতুন বিতর্ক, ফকল্যান্ড বার্তাসহ জার্সি পরে মাঠে আর্জেন্টাইন ক্লাব সিরাজগঞ্জে ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের রেল যোগাযোগ বন্ধ রাশিয়ায় ব্যস্ত সৈকতে ড্রোন বিস্ফোরণ, নিহত ৭
Advertise with us

প্রকৃতি ও পাহাড় রক্ষায় সিডিএ-র ২৫ বছরের মাস্টারপ্ল্যান

ডেস্ক রিপোর্ট
রবিবার, ০২ আগস্ট ২০২৬   ৪ বার পঠিত
প্রকৃতি ও পাহাড় রক্ষায় সিডিএ-র ২৫ বছরের মাস্টারপ্ল্যান

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।  ছবি: -ফাইল ছবি

চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক ভারসাম্য পুনর্দখল এবং পরিবেশবান্ধব আধুনিক নগর গড়ার প্রত্যয়ে ‘মহানগর মহাপরিকল্পনা ২০২৫-২০৫০’-এর খসড়া প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। শনিবার (১ আগস্ট) সিডিএ মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই চার দশকের দূরদর্শী পরিকল্পনাটি আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাধারণ নাগরিক ও অংশীজনেরা খসড়াটির বিষয়ে সরাসরি বা অনলাইনে মতামত জানাতে পারবেন।

১,২৫৫ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে প্রণীত ৩৫ কোটি ৮৭ লাখ টাকার এই সরকারি প্রকল্পে চট্টগ্রামকে বাসযোগ্য ও টেকসই করতে নানা বৈপ্লবিক প্রস্তাবনা রাখা হয়েছে। মূল নগরের ওপর চাপ কমাতে ‘ওয়ান সিটি, টু টাউনস’ ধারণার পাশাপাশি আংশিক বিকেন্দ্রীকরণের লক্ষ্যে চট্টগ্রামকে ছয়টি পৃথক প্রশাসনিক অঞ্চলে ভাগের পরিকল্পনা রয়েছে এতে। পরিকল্পনাধীন এলাকার আনুমানিক ৪০ হাজার পুকুর ও জলাশয় সংরক্ষণে তৈরি করা হয়েছে প্রথম ডিজিটাল ডেটাবেস, যার মধ্যে নগরের নিজস্ব ৪,৬০০টি পুকুরও অন্তর্ভুক্ত। একইসাথে ১৮৪ বর্গকিলোমিটার বিস্তৃত পাহাড় রক্ষায় স্থাপনা নির্মাণ ও উচ্চতা নিয়ন্ত্রণে নির্দিষ্ট নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় ইতিহাসে প্রথমবারের মতো চট্টগ্রামের জন্য ‘ভূমিকম্পজনিত লিকুইফেকশন ঝুঁকির মানচিত্র’ তৈরি করেছে সিডিএ। সমীক্ষায় দেখা গেছে, পাহাড়ি এলাকা বাদে পুরো নগরীর ৩০ শতাংশেরও বেশি এলাকা এ জাতীয় ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই এসব ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে কম ঘনত্বের ভবন ও নির্দিষ্ট রূপরেখা মানার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আবাসিক এলাকা ও ঘিঞ্জি চত্বরে অপরিকল্পিত হাসপাতাল-শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর রাশ টানার নীতি এতে অন্তর্ভুক্ত।

প্রকল্প পরিচালক ও উপপ্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ আবু ঈসা আনসারি জানান, পরিকল্পনাটিকে তিনটি ধাপে (২০২৬-২০৩৫, ২০৩৬-২০৪০ এবং ২০৪১-২০৫০) বাস্তবায়ন করা হবে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনসহ অন্যান্য সেবাদানকারী সংস্থার কাজের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় তদারকিতে দুটি শক্তিশালী জাতীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে এতে। সিডিএ চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন পুনর্ব্যক্ত করেন যে, শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে জনসচেতনতা, আন্তঃসংস্থা সমন্বয় ও কঠোর আইনি প্রয়োগের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে বিশ্বের অন্যতম সুপরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তোলাই তাঁদের মূল লক্ষ্য।

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa