https://asia24.tv


ফ্যামিলি কার্ড। ছবি: -সংগৃহীত
পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সফলভাবে শেষ করে আগামী ১৬ আগস্ট ২০২৬ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করতে যাচ্ছে সরকার। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরাসরি এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। আগামী চার বছরের মধ্যে ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে এই সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানান, একটি গতিশীল সামাজিক নিবন্ধনের (ডাইনামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি) মাধ্যমে এটি পরিচালিত হবে, যেখানে প্রতিনিয়ত মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে তথ্য হালনাগাদ করা হবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় পরিচয় নয়, বরং প্রকৃত দরিদ্রদের চিহ্নিত করতেই ইউনিয়ন পর্যায়ে কঠোর যাচাই-বাছাই চালানো হবে। কার্ডের সহায়তার অর্থ পরিবারের নারী সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং কুটির শিল্প ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও জানান, দেশের ৫৬টি এলাকায় পরিচালিত পাইলট প্রকল্পে অত্যন্ত ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে, যেখানে ত্রুটির হার ছিল ৩ শতাংশেরও কম। ১৬ আগস্ট থেকে নতুন প্রশ্নমালায় সম্পূর্ণ অনলাইনে তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে এবং প্রতি মাসে ডাটাবেজ আপডেট করা হবে।
কর্মসূচির স্বচ্ছতা নিশ্চিতে তিন স্তরের শক্তিশালী তদারকি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ইউনিয়ন পর্যায় থেকে শুরু করে বিভাগীয় কমিশনার এবং জাতীয় পর্যায়ে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে পৃথক কমিটি পুরো কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবে। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নিজেও এর অগ্রগতি তদারকি করবেন। দ্বৈত সুবিধা রোধে অর্থ মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ যৌথভাবে তথ্য বিশ্লেষণ করবে, যাতে প্রকৃত অভাবী মানুষের কাছেই সরকারের এ মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়।


