ঢাকা
২৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারের মান নিয়ে যা বলল এইচআরডব্লিউ ভাঙছে জামায়াত- এনসিপি জোট ভারত বা যুক্তরাষ্ট্র কারও আধিপত্য মেনে নেব না : নাহিদ ইসলাম ইরানের অধিকাংশ সেতু ১ ঘণ্টার মধ্যেই ধ্বংস করে দিতে পারি : ট্রাম্প আমিরাত প্রবাসীদের ভিসা বাতিলের কারণ খুঁজছে দূতাবাস ডলারের দর মৌখিকভাবে বেঁধে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে ইয়াবা আসক্তির মহামারি: দ্য আইরিশ টাইমসের প্রতিবেদন পরিচয় মিলল দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে নিহত ৬ বাংলাদেশির এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে আজ সারাদেশে বিক্ষোভ
Advertise with us

গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রেখে নতুন আইনের খসড়া প্রকাশ

ডেস্ক রিপোর্ট
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬   ২ বার পঠিত
গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রেখে নতুন আইনের খসড়া প্রকাশ

প্রতীকী ছবি।  ছবি: -ফাইল ছবি

গুমের কারণে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে বা টানা পাঁচ বছর খোঁজ না মিললে দায়ী ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রেখে ‘গুম নিরোধ ও প্রতিকার আইন-২০২৬’-এর খসড়া প্রকাশ করেছে সরকার। সোমবার (২৭ জুলাই) জনমত ও অংশীজনদের মতামতের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে খসড়াটি উন্মুক্ত করা হয়।

খসড়া অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারী বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্য কাউকে আটক করার পর অস্বীকার করলে বা তথ্য গোপন রাখলে তা ‘গুম’ হিসেবে গণ্য হবে। তবে ব্যাপক বা পরিকল্পিত গুমের বিচার হবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।

শাস্তির বিধান ও গুরুত্বপূর্ণ ধারা:

গুমের অপরাধ: গুমের জন্য সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

মৃত্যু বা দীর্ঘদিনের নিখোঁজ: গুমের কারণে মৃত্যু হলে বা ৫ বছর সন্ধান না মিললে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, সঙ্গে অন্তত ৫ বছরের জেল ও ১ কোটি টাকা জরিমানা দিতে হবে।

‘আয়নাঘর’ ও প্রমাণ ধ্বংস: তথাকথিত ‘আয়নাঘর’ বা গোপন আটক কেন্দ্র তৈরি এবং গুমের প্রমাণ নষ্ট করলে ন্যূনতম ৫ বছরের কারাদণ্ড ও ২০ লাখ টাকা জরিমানার কথা বলা হয়েছে।

ঊর্ধ্বতনদের দায়: আইনের ‘কমান্ড রেসপন্সিবিলিটি’ ধারায় অধীনদের গুমের নির্দেশ দিলে বা জেনেও প্রতিরোধ না করলে ঊর্ধ্বতন কর্তারাও মূল অপরাধী হিসেবে দণ্ডিত হবেন।

দ্রুত বিচার ও ক্ষতিপূরণ: দায়রা জজ আদালতে ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার শেষ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। ভুক্তভোগীদের সহায়তায় একটি কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডার গঠিত হবে।

অপব্যবহার রুখতে মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মামলার জন্য সর্বোচ্চ ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের ধারাও এতে যুক্ত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, এটি কার্যকর হলে মানবাধিকার সুরক্ষা জোরদার হবে।

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa