https://asia24.tv


ছবি: -সংগৃহীত
দেশে চলমান তীব্র গ্যাস সংকটের মুখে উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সিএনজি ফিলিং স্টেশন থেকে সিলিন্ডারের মাধ্যমে সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি) সংগ্রহের অনুমতি চেয়েছে তৈরি পোশাক শিল্পের দুই শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ। মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে সম্প্রতি অগ্নিকাণ্ডে তার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন প্রায় ৪৫০-৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। এতে পোশাক কারখানাগুলোতে গ্যাসের চাপ প্রায় শূন্যে নেমে এসে উৎপাদন মারাত্মক বিঘ্নিত হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি নিরাপত্তা ও আইন লঙ্ঘনের কারণ দেখিয়ে যানবাহন ছাড়া খোলা সিলিন্ডারে গ্যাস বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়। ফলে সিএনজি স্টেশনগুলো কারখানাগুলোতে সিলিন্ডারে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। এর পরপরই বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সিএনজি স্টেশন মালিক সমিতির কাছে পৃথক চিঠি ও আলোচনার মাধ্যমে সাময়িকভাবে কারখানাগুলোতে গ্যাস সরবরাহের আবেদন জানায়।
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান সতর্ক করে বলেন, অনিয়মিত গ্যাস সরবরাহের কারণে সময়মতো আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে পণ্য পাঠানো অসম্ভব হয়ে পড়ছে। সিএনজি স্টেশন থেকে বিকল্প উপায়ে গ্যাস নিতে না পারলে পোশাক খাত বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে।
অন্যদিকে বিকেএমইএ জানিয়েছে, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব তিতাস কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন যাতে রপ্তানিমুখী কারখানাগুলো আগের মতো সিএনজি স্টেশন থেকে গ্যাস সংগ্রহ করতে পারে। তবে সে ক্ষেত্রে সব ধরনের নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমান এ সংকট আগামী ৮ আগস্ট পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিকল্প যন্ত্রাংশ দ্রুত আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।


