https://asia24.tv


ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: -ফাইল ছবি
ইরানের ওপর টানা দুই সপ্তাহ আগ্রাসী হামলার পর সামরিক কৌশলে সাময়িক স্থবিরতা এনেছে ওয়াশিংটন। মূলত ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের তীব্র ঘাটতি এবং কৌশলগত অনিশ্চয়তার কারণে তেহরানে নতুন করে বিমান হামলা স্থগিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
মার্কিন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়, সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর শীর্ষ উপদেষ্টাদের এক বৈঠকে সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার পরিকল্পনা করা হয়। তবে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসার ঝুঁকিতে হোয়াইট হাউস সেই সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসে।
যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সতর্ক করে জানান, দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযান চালানোর ক্ষমতা থাকলেও ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা আক্রমণ প্রতিহত করার মতো পর্যাপ্ত ইন্টারসেপ্টর মিসাইল এই মুহূর্তে মার্কিন বাহিনীর হাতে নেই।
হামলা বন্ধের পেছনে প্রতিরক্ষাগত শঙ্কার পাশাপাশি তৈরি হয়েছে গভীর রাজনৈতিক সংশয়। জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্তাদের মতে, টানা হামলায় ইরানকে আলোচনার টেবিলে আনা সম্ভব হয়নি; উল্টো বিদেশি আগ্রাসনের মুখে দেশটির সাধারণ জনগণ ও রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলো সব মতভেদ ভুলে আরও ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।
পর পর দুই দিন ইরানে নতুন করে কোনো হামলা চালায়নি যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে প্রতি রাতেই ইরানের সামরিক ও বেসামরিক অবকাঠামোতে ক্ষেপণাস্ত্র ফেলেছিল মার্কিন বাহিনী, যার বিপরীতে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আঘাত হেনে চরম চাপ তৈরি করে তেহরান। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মিসাইল ঘাটতি ও কৌশলগত পর্যালোচনার এই সাময়িক বিরতি চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংকটে এক নতুন মোড় এনে দিতে পারে।


