https://asia24.tv


মাধ্যমিক শিক্ষার্থী। ছবি: -ফাইল ছবি
দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের আওতায় ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক ও সমমানের পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের এককালীন ১০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত এই চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হবে। আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা আগামী ৩১ আগস্ট রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে অনলাইনে আবেদন নিশ্চিত করতে পারবেন।
আবেদনের প্রধান শর্তসমূহ:
আঘাত ও চিকিৎসা মেয়াদ: দুর্ঘটনা ও চিকিৎসা গ্রহণের সময়সীমা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অর্থবছর বা সর্বোচ্চ এক বছরের মধ্যে হতে হবে। একজন শিক্ষার্থী এই সুবিধা একবারই পাবেন।
মেধাগত যোগ্যতা: শিক্ষার্থীকে পূর্ববর্তী শ্রেণিতে অন্তত ৬০% নম্বর পেতে হবে। এসএসসি বা এইচএসসিতে ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ এবং স্নাতকে জিপিএ ৩.০০ অর্জন বাধ্যতামূলক।
আয়ের সীমা: সাধারণ পরিবারের ক্ষেত্রে অভিভাবকের বার্ষিক আয় হতে হবে ২ লাখ টাকার নিচে। তবে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের সন্তানেরা অফিস প্রধানের ছাড়পত্র জমা দিয়ে আবেদনের সুযোগ পাবেন।
যেভাবে আবেদন করবেন:
চিকিৎসা অনুদানের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডিজিটাল ফরম পূরণ করতে হবে। ফরমের সাথে জেলা সিভিল সার্জন, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক বা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার দেওয়া ‘গুরুতর আহত’ সংক্রান্ত চিকিৎসা সনদ, সংশ্লিষ্ট রিপোর্ট এবং প্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র আপলোড করা আবশ্যক।
অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ব্যাংক নির্দেশাবলী:
আবেদনকালে শিক্ষার্থীর ছবি, স্বাক্ষর, জন্মসনদ, মা-বাবার এনআইডি এবং যেকোনো সচল অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্টের চেকের পাতা বা স্টেটমেন্ট জমা দিতে হবে। টাকা শিক্ষার্থী বা তাঁর মা-বাবার (অনুপস্থিতিতে বৈধ অভিভাবকের) সচল অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি পাঠানো হবে। ভুল তথ্যের কারণে লেনদেন ব্যর্থ হলে পরবর্তীতে আর অর্থ দেওয়া হবে না।
আবেদন অনুমোদনের তিন থেকে চার মাসের মধ্যে নির্বাচিতদের সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অর্থ পৌঁছে যাবে এবং মোবাইল মেসেজে তা নিশ্চিত করা হবে। অনলাইনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম না থাকলে ইআইআইএন (EIIN) উল্লেখ করে ডাকযোগে বা ই-মেইলে (ad.stipend@pmeat.gov.bd) ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর আবেদন পাঠাতে বলা হয়েছে।


