https://asia24.tv


রিয়াদের সিআইএ অফিস। ছবি: -সংগৃহীত
উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির (সিআইএ) বিভিন্ন গোপন স্থাপনায় ইরানের ড্রোন হামলায় রাশিয়া প্রযুক্তিগত সহায়তা বা লক্ষ্যবস্তুর তথ্য জুগিয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন মার্কিন গোয়েন্দা বিশ্লেষকেরা। জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত সংবেদনশীল বিষয় হওয়ায় বিষয়টির সত্যতা নিয়ে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্তে না পৌঁছালেও রাশিয়া-ইরান সহযোগিতা নিয়ে ওয়াশিংটনের উদ্বেগ চরম আকার ধারণ করেছে।
গত মার্চে সৌদি আরবের রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসস্থ সিআইএ স্টেশন ও ইরাকের পূর্বাঞ্চলীয় একটি স্থাপনাসহ কয়েকটি ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালায় ইরান। পশ্চিমা গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, হামলাগুলোতে রাশিয়ার সরবরাহ করা ‘কমেটা-এম’ স্যাটেলাইট নেভিগেশন ও উন্নত প্রযুক্তির ‘শাহেদ’ ড্রোন ব্যবহার করা হয়। দুটি ড্রোনের সমন্বয়ে দূতাবাস ভবনের প্রাচীর ভেদ করে নিখুঁতভাবে এই হামলা চালানো হয়, যা সাধারণ জ্যামিং প্রতিরোধী প্রযুক্তি ছাড়া অসম্ভব।
বিশ্লেষকদের ধারণা, বিশ্বজুড়ে ওয়াশিংটনের প্রভাব খর্ব করতে তেহরানকে এসব স্পর্শকাতর তথ্য সরবরাহ করে থাকতে পারে মস্কো। জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুই সেনা নিহতের পরও রাশিয়ার তথ্য সহায়তার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তবে ক্রেমলিন এসব অভিযোগকে ‘ভুয়া খবর’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং সিআইএ ও হোয়াইট হাউস কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।


