https://asia24.tv


ছবি: -সংগৃহীত
কানাডা থেকে আমদানি করা বিভিন্ন পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের গাড়ি, দুগ্ধজাত পণ্য ও অ্যালকোহলের প্রতি কানাডা ‘অসম আচরণ’ করায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ওয়াইন, হকি স্টিক, সিমেন্টসহ বিভিন্ন ভোগ্য ও শিল্পপণ্যের ওপর এই শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। তবে জ্বালানি, পটাশ, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও মাছসহ কয়েকটি প্রধান রপ্তানি পণ্য এ শুল্কের বাইরে রাখা হয়েছে।
এর জবাবে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা ‘আরও জোরদার’ করতে কানাডা প্রস্তুত। হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, আগামী ৩০ দিনের মাঝে নতুন শুল্ক কার্যকর হবে।
যেসব পণ্য নতুন শুল্কের আওতায় আনা হয়েছে, সেগুলো যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর মধ্যে বিদ্যমান মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ইউএসএমসিএ’র আওতায় থাকুক বা না থাকুক, নতুন শুল্কের তালিকায় থাকা সব পণ্যের ওপরই এই শুল্ক কার্যকর হবে। এর ফলে উত্তর আমেরিকার এই দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য উত্তেজনা আরও বেড়ে যাবে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে কার্নি বলেন, ‘কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো চুক্তি লঙ্ঘন করে যুক্তরাষ্ট্র একের পর এক শুল্ক আরোপের যে একতরফা বাণিজ্য পদক্ষেপ শুরু করেছিল, শুল্ক আরোপের নতুন এই সিদ্ধান্ত তারই ধারাবাহিকতা।
মার্ক কার্নি আরও বলেন, কানাডার সার্বভৌমত্বের প্রতিও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে তিনি সম্ভবত ট্রাম্পের সেই বক্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করেছেন, যেখানে ট্রাম্প প্রকাশ্যে কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য করার কথা বলেছিলেন।
দুই দেশের মধ্যে আগে থেকেই বিভিন্ন পণ্যের ওপর শুল্কসহ বেশ কিছু বাণিজ্যিক বাধা ছিল। সোমবার ঘোষিত নতুন আমদানি শুল্ক সেই বাধা আরও বাড়িয়ে দিল। বর্তমানে কানাডার স্টিল (ইস্পাত), অ্যালুমিনিয়াম ও কপারের (তামা) ওপর ১৫ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র।
এছাড়া, কানাডার সফটউডের ওপর ৩৫ শতাংশ এবং গাড়িতে ব্যবহৃত যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে তৈরি যন্ত্রাংশের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্কও আরোপ করা হয়েছে। এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা কিছু ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম ও যানবাহনের ওপর কানাডাও ২৫ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপ করে। বিবিসি


