https://asia24.tv


ছবি: -সংগৃহীত
এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে গর্বিত কোচ সম্ভবত পেপ গার্দিওলা। ২০২৬ বিশ্বকাপের রবিবাসরীয় ফাইনালে মুখোমুখি হবে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা ও রদ্রির স্পেন। দুই অধিনায়ক মেসি ও রদ্রিকে কোচিং করানোর সৌভাগ্য হয়েছে গার্দিওলার। বার্সেলোনায় মেসির উত্থান গার্দিওলার হাত ধরে।
একইভাবে ম্যানসিটিতে তার অধীনে তারকা হয়ে ওঠেন রদ্রি। দুজনই গার্দিওলার কোচিংয়ে জেতেন প্রথম ব্যালন ডি’অর। বিশ্বকাপ ফাইনালে নিজের সাবেক দুই শিষ্যের লড়াইটা তার জন্য দারুণ উপভোগ্য হতে যাচ্ছে। তবে একজন স্প্যানিশ হিসাবে রদ্রির হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি দেখতে চান গার্দিওলা।
মেসির মতো জাদুকরী পারফরম্যান্সে চোখ ধাঁধিয়ে না দিলেও স্পেনকে ফাইনালে তুলতে বড় ভূমিকা রেখেছেন রদ্রি। আক্রমণের সুর বেঁধে দেওয়া কিংবা নিচে নেমে রক্ষণে সহায়তা করা, মাঠের সবখানেই দেখা যায় ৩০ বছর বয়সি এই মিডফিল্ডারকে। গত মৌসুম শেষে ম্যানসিটির কোচের দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়া গার্দিওলার মতে স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের চাবিকাঠি রদ্রির হাতে।
এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘আর্জেন্টিনার বিপক্ষে রদ্রির পারফরম্যান্স হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। রদ্রি যদি মাঝমাঠে পেদ্রি ও ইয়ামালের সঙ্গে নিজের প্রভাব প্রতিষ্ঠা করতে পারে এবং সুযোগগুলো কাজে লাগাতে যথেষ্ট কার্যকর হতে পারে, তাহলে স্পেনই পার্থক্য গড়ে দেবে।’
স্পেনের জন্য কাজটা যে সহজ হবে না, সেটাও মনে করিয়ে দিলেন গার্দিওলা। আর্জেন্টিনা অধিনায়ক মেসিকে নিয়ে মুগ্ধতার শেষ নেই তার, ‘মানুষ আমার কাছে জানতে চায়, ৩৯ বছর বয়সেও মেসি কীভাবে এমন উঁচুমানের ফুটবল খেলছে। আমি বলি, এটাই মেসি। এমন দ্বিতীয় কাউকে কখনো দেখেনি ফুটবল। বয়সের কাছে সবাইকে হার মানতে হয়; কিন্তু মেসির কাছে বয়সও অসহায়। বলে তার প্রতিটি ছোঁয়া ও পাসে বিপদ মিশে থাকে। সে নিজে খুব বেশি দৌড়ায় না; কিন্তু সবাইকে দৌড়ের ওপর রাখে।’
গার্দিওলার মতে, ‘মেসির ফুটবল মস্তিষ্ক অন্য সবার চেয়ে ১০ সেকেন্ড এগিয়ে। ওই মস্তিষ্কের কাছেই হেরেছে ইংল্যান্ড। ৩৯ বছর বয়সে প্রায় সব লিজেন্ড ধারাভাষ্য দেয়। মেসি এখনো ইতিহাস লিখে চলেছে। তার মতো কেউ আর আসবে না ফুটবলে।’


