https://asia24.tv


ছবি: -প্রতিনিধি
শেয়ারবাজারে ভালো মানের কোম্পানির শেয়ারে শিগগিরই ডে নেটিং সুবিধা চালু করা হবে। এর ফলে নির্ধারিত কোম্পানির শেয়ার একই দিনে কেনাবেচা করতে পারবেন বিনিয়োগকারীরা। এমন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান।
বৃহস্পতিবার সকালে শেয়ারবাজারবিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরাম (সিএমজেএফ) আয়োজিত ‘সিএমজেএফ টক’-এ অংশ নিয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
মাসুদ খান বলেন, সম্প্রতি ব্রোকারেজ হাউস মালিকদের সংগঠনের পক্ষ থেকে ডে নেটিং সুবিধা চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সব কোম্পানির শেয়ারে এ সুবিধা চালু করা সম্ভব নয়। তাই প্রাথমিকভাবে ভালো মানের প্রায় ৩০টি কোম্পানির শেয়ারে এই সুবিধা চালুর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, শেয়ার লেনদেন নিষ্পত্তির সময় কমিয়ে টি+২ (দুই কার্যদিবস)-এ নামিয়ে আনার কাজও চলছে। এ ব্যবস্থা চালু হলে বিনিয়োগকারীরা যেদিন শেয়ার কিনবেন, তার পরদিনই তা বিক্রি করার সুযোগ পাবেন।
বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, বাজারে ভালো ও নতুন কোম্পানি আনতে খুব শিগগিরই সরাসরি তালিকাভুক্তির (ডাইরেক্ট লিস্টিং) সুযোগ চালু করা হবে। আগ্রহী কোম্পানিগুলো এ ব্যবস্থার আওতায় আবেদন করতে পারবে এবং যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত অনুমোদন দেওয়া হবে।
শেয়ারবাজারে অনিয়ম ও কারসাজির বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে উচ্চ আদালতে পুঁজিবাজার-সংক্রান্ত একটি পৃথক বেঞ্চ গঠনের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি। তার ভাষ্য, বর্তমানে বিএসইসির নেওয়া শাস্তিমূলক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান উচ্চ আদালতে গেলে মামলা নিষ্পত্তিতে দীর্ঘ সময় লাগে। এ কারণে বিশেষায়িত বেঞ্চ গঠনের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।
এ ছাড়া আগামী এক বছরের মধ্যে শেয়ারবাজারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-নির্ভর সার্ভেইল্যান্স বা নজরদারি ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান মাসুদ খান। তিনি বলেন, এ বিষয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি শেয়ারবাজারে অনিয়ম, দুর্নীতি ও কারসাজির ঘটনায় কেবল দেওয়ানি মামলা নয়, প্রয়োজন হলে ফৌজদারি মামলা করার বিষয়টিও বিবেচনা করছে বিএসইসি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিএমজেএফের সভাপতি মনির হোসেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব।


