https://asia24.tv


ছবি: -সংগৃহীত
এই দিক থেকে সবচেয়ে স্বস্তিতে রয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। কোয়ার্টার ফাইনালের আগে দলটির শুধু গনসালো মন্তিয়েলের নামের পাশেই একটি হলুদ কার্ড রয়েছে। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে তিনি আবার হলুদ কার্ড দেখলে সেমিফাইনালে নিষিদ্ধ হবেন।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, গ্রুপ পর্বে পাওয়া হলুদ কার্ড নকআউট পর্বে বহাল থাকে না। তবে শেষ ৩২ ও শেষ ষোলোতে যারা একটি করে হলুদ কার্ড দেখেছেন, তারা কোয়ার্টার ফাইনালে আবার কার্ড দেখলে সেমিফাইনালে খেলতে পারবেন না।
শৃঙ্খলার দিক থেকেও অন্যতম সেরা দল আর্জেন্টিনা। চার ম্যাচে ৫৯টি ফাউল করে তারা মাত্র তিনটি হলুদ কার্ড দেখেছে। অর্থাৎ প্রতি ১৯ দশমিক ৭টি ফাউলের বিপরীতে একটি করে হলুদ কার্ড পেয়েছে তারা।
আরও ভালো অবস্থানে রয়েছে নরওয়ে। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম দুটি হলুদ কার্ড দেখেছে দলটি। ৪৮টি ফাউলের বিপরীতে তাদের হলুদ কার্ড মাত্র দুটি, অর্থাৎ প্রতি ২৪টি ফাউলে একটি করে কার্ড।
অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছে ইংল্যান্ড। দলটি ৫৪টি ফাউল করে সাতটি হলুদ কার্ড দেখেছে, যা কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। প্রতি ৭ দশমিক ৭টি ফাউলের বিপরীতে একটি করে হলুদ কার্ড পাওয়ার এই পরিসংখ্যান শৃঙ্খলার দিক থেকে ইংল্যান্ডকে সবচেয়ে পিছিয়ে রেখেছে।
ইংল্যান্ডের চার ফুটবলার ইতোমধ্যেই একটি করে হলুদ কার্ড দেখেছেন। ফলে নরওয়ের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে আবার কার্ড দেখলে তারা সেমিফাইনালে খেলতে পারবেন না। এই তালিকায় রয়েছেন দলের দুই তারকা ডেকলান রাইস ও জুড বেলিংহাম। বিপরীতে নরওয়ের শুধু আন্তোনিও নুসার নামের পাশেই একটি হলুদ কার্ড রয়েছে, দলের অন্য কোনো খেলোয়াড় এখনও কার্ড দেখেননি।
কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা দলগুলোর ফাউল ও হলুদ কার্ডের পরিসংখ্যান
| দল | মোট ফাউল | হলুদ কার্ড | প্রতি কত ফাউলে ১টি হলুদ কার্ড |
|---|---|---|---|
| নরওয়ে | ৪৮ | ২ | ২৪.০ |
| আর্জেন্টিনা | ৫৯ | ৩ | ১৯.৭ |
| স্পেন | ৫৫ | ৩ | ১৮.৩ |
| বেলজিয়াম | ৬০ | ৪ | ১৫.০ |
| ফ্রান্স | ৪৯ | ৪ | ১২.৩ |
| সুইজারল্যান্ড | ৬৯ | ৬ | ১১.৫ |
| মরক্কো | ৬১ | ৬ | ১০.২ |
| ইংল্যান্ড | ৫৪ | ৭ | ৭.৭ |


