https://asia24.tv


ছবি: <--ছবির সোর্স সিলেক্ট করুন-->
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ ও বেসামরিক নাবিকদের ওপর হামলা চালানোর সক্ষমতা আরও দুর্বল করতেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
বুধবার রাতেও ইরানের বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত এবং ৭৮ জন আহত হয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগপ্রধান হোসেন কেরমানপোর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, ৭ ও ৮ জুলাই যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা অবস্থাতেই ইরানের পাঁচটি প্রদেশে এই হামলা চালানো হয়।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, হামলায় তেহরানের সঙ্গে সংযুক্ত রেলপথের দুটি সেতু এবং ইরান–তেহরান রেল করিডরের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া বুশেহর পারমাণবিক স্থাপনার আশপাশেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
গত ১৭ জুন ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো এবং স্থায়ী শান্তিচুক্তির আলোচনার পথ তৈরি করতে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছিল। তবে সর্বশেষ এই পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্য দিয়ে সেই সমঝোতা কার্যত নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানি হামলার অভিযোগ তুলে যুদ্ধবিরতিকে ‘সমাপ্ত’ ঘোষণা করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে নতুন করে বিমান হামলা শুরু হয়। পরে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প হামলার ভিডিও প্রকাশ করে সতর্কবার্তা দেন। তিনি লেখেন, ‘এটি জাহাজে ইরানের হামলার জবাব। এমন ঘটনা আবার ঘটলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে।’
অন্যদিকে মার্কিন হামলার জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরকে ঘিরে সতর্কতা জারি করা হয় এবং দেশটিতে অন্তত তিনবার সাইরেন বেজে ওঠে।
এছাড়া কুয়েত ও কাতারের দিকেও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের দাবি করেছে ইরান। জর্ডান জানিয়েছে, তাদের আকাশসীমায় প্রবেশ করা কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে। কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক উপস্থিতি রয়েছে।


